যে শহরে কেউ আমার অপেক্ষায় ছিল না
রাফির গল্পটি শুধু নতুন শহরে আসার নয়। এটি নিজের ভয়কে সঙ্গে নিয়ে ধীরে ধীরে একটি জীবন বানানোর গল্প।
গল্পটি শুনুন
এটি মানুষের রেকর্ড করা narration নয়। আপনার device-এর বাংলা voice ব্যবহার করে লেখাটি পড়ে শোনানো হবে।
বাস থেকে নামার সময় রাত প্রায় এগারোটা। ব্যাগে ছিল দুটো জামা, একটি খাতা আর মায়ের দেওয়া ভাঁজ করা পাঁচশ টাকার নোট। যে বন্ধুর মেসে ওঠার কথা, তার ফোন তখন বন্ধ। শহরটি প্রথম রাতেই রাফিকে বুঝিয়ে দিয়েছিল—এখানে অপেক্ষা করে থাকার মানুষ খুব কম।
পরের সকাল থেকে কাজ খোঁজা শুরু। দিনের শেষে তিনি একটি ছাপাখানায় কাগজ গুছিয়ে রাখতেন, রাতে খাতায় আঁকতেন অক্ষর আর পোস্টারের ধারণা। সেই খাতাই পরে তাঁর প্রথম ডিজাইন পোর্টফোলিও হয়ে ওঠে।
রাফি বলেন, ফিরে যেতে চাওয়াটা ব্যর্থতা ছিল না; বরং প্রতিদিন আরেকবার থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়াই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় সাহস। আজও কোনো নতুন শহরে নামলে তিনি প্রথমে একটি চায়ের দোকান খোঁজেন—অপরিচিত জায়গাকে একটু নিজের করে নেওয়ার জন্য।
সাহস মানে ভয় না থাকা নয়। ভয় নিয়েই পরের সকাল পর্যন্ত থেকে যাওয়া।
একটি শহরকে নিজের করে নিতে আসলে কতটা সময় লাগে?
পূর্ণ transcript
সেদিন বাস থেকে নামার পর মনে হয়েছিল, শহরটা আমাকে চেনে না।
মায়ের পাঁচশ টাকার নোটটি আমি অনেক দিন খরচ করতে পারিনি।
প্রথম কাজটি ভালো ছিল না, কিন্তু প্রথম সকালটি আমাকে বদলে দিয়েছিল।
